ব্যতিত অন্তর : আহবাব চৌধুরী

মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আমার নিজের এলাকা ফেঞ্চুগঞ্জের নূরপুরে পর পর বেশ কয়েকটি অকাল মৃত্যু আমাকে খুব ব্যতিত করেছে । গত ঈদুল ফিতিরের দিন আমাদের থেকে আকশ্বিক হৃদরোগে বিদায় নিলেন ফেঞ্চুগঞ্জের বিশিষ্ট  ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদ, ও সমাজকর্মী উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান ঝুনু । ঝুনু ছিলো আমার সহপাঠী ও ঘনিষ্ট বন্ধু । তার মৃত্যুটি ছিলো আমাদের এলাকার সকল মানুষের  জন্য খুবই শোকবহ ।ঝুনুর মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জের সর্বত্র  যখন এলাকাবাসী এবং দলীয় সতির্থরা কালো কাপড়ের ব্যানার উটাচ্ছিল তখনি শুনলাম সাবেক ছাত্রনেতা শিপুর আকশ্বিক মৃত্যু সংবাদ ।

মাত্র ৪৫ বছর বয়সে তরুনী ত্বন্নী স্ত্রী আর অবুঝ দুটি শিশুকে রেখে মাত্র দুই দিনের সর্দি জ্বরে আমাদের থেকে বিদায় নিলো প্রিয় শিপু ।তার মৃত্যুর রেশ কাঠতে না কাঠতে শুনতে হলো আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনা । বাড়ীর কাছে নৌকা ডুবে মৃত্যু বরণ করলো এলাকার প্রিয় শিক্ষক ও বিশিষ্ট সমাজসেবী শ্রদ্ধেয় আব্দুল লতিফ মাষ্টার সাহেবের ২৮/২৯ বছরের যুবক পুত্র শিহান এবং  একই সাথে তার খালাতো ভাই রিয়াদ ।

আর এখন শুনতে হলো মৃত্যুর মিছিলে সম্প্রতি যুক্ত  হওয়া আরেকটি নাম রাসেল  । দূরারোগ্য ক্যান্সার নিভিয়ে দিলো তার জীবন প্রদীপ । প্রিয় গিয়াসভাইয়ের বড় ছেলে ২৫ বছর বয়সী টগবগে যুবক রাসেল অসময়ে চলে গেলো পরপারে । প্রথম ফেইসবুকে স্নেহাস্পদ  মাজহারুল ইসলাম রাসেলের স্টেটাসটি যখন প্রথম আমার চোখে পড়ে চিনতে পারিনি  বেডমিন্টন প্লেয়ার রাসেল যে আমাদের সেই ছোট্র রাসেল । পরে লন্ডন থেকে বন্ধু সহপাঠী  তারেকের  ফোন পেয়ে জানতে পারলাম এই রাসেল আমাদের প্রিয় গিযাস ভাইয়ের বড় ছেলে । তার এই অকাল মৃত্যু মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে । তার মৃত্যু যেন একটি গোলাপের অন্তর্ধান । একটি গোলাপ ফুটার আগে ঝরে পড়লে যেমনি দুঃখ লাগে তেমনি সকল আশা ভরসা সকল সম্ভাবনাকে পেছনে ফেলে তার এই অকাল প্রয়াণ সত্যিই হৃদয় বিদারক ।

ঝুনু আমার ঘনিষ্ট বন্ধু এবং সহপাঠী ছিলো । ক্লাস ওয়ান থেকে বিএ পর্য়ন্ত একই সাথে লেখাপড়া করেছি । রাজনীতিতেও আমরা একই আদর্শের অনুসারী ছিলাম । আমি যখন দীর্ঘ একটা সময় একটি ছাত্র সংগঠনের উপজেলা শাখার আহবায়ক ছিলাম সে তখন একই সংগঠনের  একই শাখার যুগ্ম আহবায়ক হিসাবে আমার সাথে কাজ করেছে । জীবন ও জীবিকার তাগিদে এখন আমি দুর প্রবাসে অবস্থান করলেও আমাদের মধ্যে সব সময় যোগাযোগ হতো । আমি যতবার দেশে গিয়েছি সে আমাকে সর্বক্ষন সময় দিযেছে । সে এমন এক সময় সে মৃত্যু বরণ করলো যখন ব্যবসা এবং রাজনীতিতে একটা শক্ত অবস্থান সৃষ্টি করেছিলো । গত তারিখ ঈদুর ফিতিরের আগের রাত্রে মা,  দুই পুত্র,এক কন্যা এবং প্রিয়তমা পত্নিকে রেখে আকশ্বিক হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে হইকাল ত্যাগকরে ঝুনু । তার মৃত্যুতে আমার নিজের এবং সেই তার পরিবার ও সংগঠনের যে ক্ষতি হলো তা কখনো পূরণ হবার নয় ।

শিপু সম্পর্কে আমার ফুফুতো ভাই ছিলো । বয়সে ছিলো আমার চেয়ে বছর দুয়েক ছোট । সে যখন পি পি এম হাই স্কুলে ক্লাস সিক্সে গিয়ে ভর্তি হয় আমি তখন একই স্কুলের ক্লাস এইটের ছাত্র । আমরা এক সাথে একই বাই সাইকেলে করে স্কুলে যেতাম আবার স্কুল ছুটি হলে  এক সাথে বাড়ী ফিরতাম । খুব আবেগ প্রবণ, সহজ-সরল এবং সেই সাথে সাহসী ছেলে ছিলো । ফেঞ্চুগঞ্জ কলেজ থেকে ইন্টারমিডিইট শেষ করে চলে আসে আমেরিকায । এখানে প্রথমে নিউইয়র্ক , শেষে মিশিগান এবং পরে আবার নিউইয়র্ক বসবাস করেছে । কিন্তু শেষের দিকে কিছুটা শারিরিক অসুস্থতা নিয়ে স্হায়ী ভাবে দেশে চলে যায় । সেখানে সে বৃদ্ধা মা এবং পরিবারের সাথে নূরপুরস্থ বাড়ীতে বসবাস করে আসছিলো । মাত্র তিন দিনের সদ্দি কাশিতে কাতর শিপু নিজ গৃহেই হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে সে  । বন বিভাগে কর্মরত তার পিতা আকশ্বিক হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে যখন মারা যান তখন সে সম্ভবত ৫,৬বছরের অবুঝ শিশু আর সে যখন মারা গেলো তখন রেখে গেলো একই বয়সের দুটি অবুঝ শিশু।

রাসেলকে নিয়ে খুব স্মৃতি আমার মনে নেই । রাসেলের বাবা গিয়াস মিয়া আমার অত্যান্ত প্রিয় ব্যক্তি । বাড়ী ফেঞ্চুগঞ্জের নূরপুরস্থ জুম্মা টিলা গ্রামে । আমার বাড়ী থেকে খুব বেশী দুরে নয় ।গিয়াসভাই অত্যান্ত সৎ ,ধার্মিক  ও সজ্জন ব্যক্তি । জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত একজন ভালো মানুষ  । সম্ভবত এখন তিনি উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি । নূরপুর জামে মসজিদের ক্যাসিয়ার । শুনেছি এখন একটি মাদ্রাসায় ও কর্মরত আছেন । এক সময় গ্রামের মধ্যেই গিয়াসভাইয়ের একটি ছোট গ্রোসারী সপ ছিলো । এসময় অবসর সময়ে উনার এই ব্যবসা প্রতিষ্টানটি ছিলো আমাদের আড্ডা স্থল । আমরা সময় পেলে সেখানে গিয়ে গল্প গোজব করতাম । সেই সময়ে দিদারভাই, মালেক, ঝিনুক, ঝুনু, মাহবুবভাই , লাভলু ,তারেক আমরা এখানে সময় পেলে প্রায়ই আড্ডা দিতাম । আমাদের  এই আড্ডায়  বিএনপি সভাপতি মরহুম আনোয়ারুল করিম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা কাইয়ুম চৌধুরী , চেয়ারম্যান ছুফিয়ানুল করিম চৌধুরী, হেড স্যার মরহুম মাহবুবুল করিম চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা গোলাম মৌলাভাই ও মাঝে মাঝে আসতেন । এ সময় রাসেল সম্ভবত ১০ /১১ বছরের ছেলে । প্রায়ই দেখতাম বাবার সাথে এসে দোকানে বাবাকে সাহায্য করতো । আবার কোন কোন দিন দেখতাম বাবার অনুপস্থতিতে সে একা ব্যবসা ও চালাতো । খুব শান্ত সিষ্ট ভদ্র এবং মার্জিত ছিলো ছোট্র রাসেল । তার ব্যাবহার আচার দেখে মনে হতো গিয়াসভাইতো খুব ভাগ্যবান মানুষ । সম বয়সী ছেলেরা যখন খেলাধুলায় ব্যস্ত তখন সে  ব্যবসা বানিজ্য শিখে পড়া লেখার ফাঁকে ফাঁকে বাবাকে সাহায্য করছে । পরবর্তীতে জীবন ও জীবিকার তাগিদে আমি ও এলাকা ছেড়ে  চলে এলাম প্রথমে ঢাকায় এবং পরে নিউ ইয়র্ক ।

গিয়াসভাইয়ের সেই দোকানও নেই আড্ডাও নেই । তবে প্রিয় গিয়াসভাইয়ের খোঁজ খবর সব সময় রাখতাম । আমার মনে আছে আমি গতবারে যখন দেশে গিয়েছিলাম উনি বাড়ী এসেছিলেন আমার সাথে দেখা করতে । বছর দুয়েক আগে উনার সাথে আমার ফোনে ও কথা হয়েছিলো । বলেছিলেন বড়ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন । ভালো আছে । কাম কাজও করছে । বলেছিলেন উনার ছোট ছেলেটিকে বিদেশে পাঠিযে দেওয়ার ধান্ধায় আছেন । হাসতে হাসতে বলেছিলেন এখন গ্রামে আপনারা নেই আগের সেই পরিবেশ ও নেই । উটতি ছেলেদের বিদেশে ফাঠিয়ে দিলেই শান্তি । রোঠি রুজি করুক না করুক ভালো এবং নিরাপদ থাকবে এটা বলা যায় । আমি ও উনার কথা শুনে বলেছিলাম ভালো সিন্ধান্ত নিয়েছেন  ভাই ।

আমাদের সেই ছোট্র রাসেল কবে কখন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হলো কবেই বা আবার মালোয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে এলো কিছুই জানতাম না । পরে জানলাম মালোয়েশিয়ায় অবস্থান কালেই নাকি তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে ।সেখানে চিকিৎসার পরও সুস্থ না হওয়ায় সপ্তাহ খানেক আগে দেশে ফিরেছিলো এবং সে সিলেট শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে । মনে পড়ে সে যখন খুব ছোট ৪/৫ বছরের বাচ্চা ছেলে । দেখতাম তার দাদার হাত ধরে মসজিদে আসতো নামাজ পডতে । আমার এখনতো মনে আছে জুম্মার নামাজে এবং মাগবিবের নামাজের সময় প্রায়ই দেখতাম তাকে মসজিদে নামাজ পড়ছে । তারপর দেখলাম ছেলেটি আমাদের চোখের সামনে আস্তে আস্তে বড় হলো ।এখন দেখছি সবাইকে কাঁদিয়ে আবার অসময়ে চলেও গেলো ।এমন সম্ভাবনাময় যুবকের অকাল মৃত্যুতে আমাদের এলাকার যে ক্ষতি হলো তা কখনো পূরণ হবাব নয় । রাসেল খুব ভালো ছেলে ছিলো । সে খুব ভালো বেডমিন্টন খেলতো । ক্রিকেট খেলায়ও সমভাবে পারদর্শী ছিলো । সততা, ভদ্রতা ধর্মানুপরায়নার গুন ছোট বেলা থেকে আমি তার মধ্যে লক্ষ্য করেছি ।সে পরিপূর্ণ হায়াত পেলে দেশ ও সমাজ এবং সেই সাথে তার পরিবারের জন্য অনেক কিছু করতে পারতো সন্ধেহ নেই । কিন্তু দূরারোগ্য ক্যান্সার চিকিৎসকদের সকল চেষ্টা এবং সেই সাথে তার পিতা মাতা আত্নীয় স্বজন সকলের আশা ভরসাকে অপূর্ণ রেখে নিথর লাশে পরিণত করলো  । তার পুত্র হারা বাবার অবস্থা আমি বুঝতে পারছি । পৃথিবীতে বুধহয় সবচেয়ে হৃদয় বিদারক ছবি হচ্ছে পিতার কাঁদে পুত্রের লাশ । দোয়া করি আল্লাহ নিস্পাপ এই ছেলেটিকে জান্নাতবাসী করুন এবং সেই সাথে তার মা বাবা ও আত্নীয় স্বজনকে এই শোক কাঠিয়ে উটার শক্তি দিন ।

শিহান ও রিয়াদ আপন খালাতো ভাই । বর্ষার পানিতে তারা কয়েকজন মিলে জলাশয়ের পানিতে নৌকা ভ্রমনে বের হয়েছিলো । কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস গভীর রাতে  হঠাৎ নৌাকা ডুবে গেলে তিনজন সাতরিয়ে কুলে উটতে সমম হলেও শিহান ও রিয়াদ জলাশয়ের অথৈ পানিতে ডুবে যায় । রাতের আধারে ঘটনাটি ঘটেছে বলে কেউ সাহায্য করতেও এগিয়ে আসেনি । শুনেছি শিহান খুব ভালো ছেলে ছিলো । পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করতো । সৎ, ভদ্র, বিনয়ী ছেলে হিসাবে গ্রামের সকল মানুষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছিলো । তার এই অকাল মৃত্যু খুব বেদনাদায়ক ।

প্রিয় ছোটভাই প্রতিভাবান সাংবাদিক কবি রাজা সায়মন সম্পাদিত ফেঞ্চুগন্জের একমাত্র অনলাইন সংবাদপত্র দৈনিক ফেঞ্চুগঞ্জ’র জন্য যখন একটি লেখা তৈরী করছিলাম তখন শুনলাম আকেকটি মৃত্যু সংবাদ । আমাদের মধ্য থেকে চুপিসারে বিদায় নিলেন ফেঞ্চুগঞ্জের কৃতি সন্তান ও খ্যাতনামা সাহিত্যিক জনাব মস্তোফা নুরুজ্জামান মিনার ।

আমার বন্ধু ও সহপাঠী ফেঞ্চুগন্জের এক সময়ের নন্দিত ফুটবলার আব্দুলাহ শামসুজ্জামান দিনারের বড়ভাই ফেঞ্চুগন্জ সারকারখানার প্রাক্তন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা জনাব মস্তোফা নুরুজ্জামান মিনারভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ আমাকে খুব ব্যতিত করেছে । ছোটবেলা থেকেই মিনারভাইকে খুব কাছ থেকে দেখে এসেছি । আমার ছোট চাচা ইফতারুল হোসেন চৌধুরীর সাথে অন্তরঙ্গ বন্ধুত্বের সুবাদে একটি সময় ছিল যখন প্রায় দিনই দেখতাম তাকে হয় ছোট চাচার রুমে নয়তোবা ফেঞ্চুগন্জ সারখারকানাস্থ  হোসেন ড্রাগ হাউসে । এ সময় আমাদের বাড়ীতে তার নিত্য যাওয়া আসা ছিল এবং তিনি ছিলেন আমাদের পরিবারের আপন সদস্যের মতো ।তিনি খুব সংস্কৃতিবান ও হৃদয়বান লোক ছিলেন । শিক্ষা , সংস্কৃতি, সাহিত্য, শিল্প, ক্রীডা বিবিধ ক্ষেত্রে তিনি অসম্ভব জ্ঞান রাখতেন । মিনারভাই কর্মজীবন শুরু করেছিলেন পি পি এম উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে এবং শেষ করেছেন ফেঞ্চুগন্জ সারকারখানার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা হিসাবে । মাঝ খানে একটা দীর্ঘ সময় চট্রগ্রাম কর্ণফুলী পেপার মিলে কাজ করেছেন । আচার ব্যাবহারে অমায়িক এই অসম্ভব মেধাবী মানুষটি আমাকে সারা জীবন আপন ভাইয়ের মতো স্নেহ করেছেন ।তিনি ছিলেন একাধারে কবি, কলামিষ্ট ও সঙ্গিতজ্ঞ ব্যক্তিত্ব  ।তাঁর সাথে আর কখনো এই ইহ জগতে দেখা হবে না ভাবতে খুব খারাপ লাগছে । মিনার ভাইয়ের মতো মেধাবী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের এই আকশ্বিক মৃত্যুতে সামগ্রিক ভাবে আমাদের যে ক্ষতি হলো তা কখনো পূরণ হবার নয় ।

আমার এলাকার অতি প্রিয় এই মানুষ গুলোর আকশ্বিক মৃত্যু আমাকে খুব মর্মাহত করেছে । মানুষ মরণশীল । মৃত্যুর স্বাদ মানুষ মাত্র প্রত্যেককে গ্রহণ করতে হবে ।এটাই হচ্ছে বাস্তবতা ।

কিন্তু অকাল মৃত্যু কখনোই কাম্য নয়।আমি আমাদের থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া অসম্ভব প্রতিভাবান এবং সম্ভাবনাময়  এ সকল ব্যক্তিদের বিদেহী আত্নার মাঘফেরাত কামনা করি। (অনিয়মিত কলাম)

শেয়ার করুন