‘মহানবী (সা.) মানবজাতির জন্য এক উজ্জ্বল অনুসরণীয় আদর্শ’

বাংলা নিউজ ইউকে রিপোর্ট : মহান আল্লাহ বিশ্বজগতের রহমত স্বরূপ হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে প্রেরণ করেন। বিশ্বনবীর আবির্ভাবে পৃথিবীতে মানুষ ইহলৌকিক ও পারলৌকিক জগতের মুক্তির সন্ধান পায় এবং নিজেদের কল্যাণ ও শান্তির নিশ্চয়তা লাভ করে। সমাজে বিদ্যামান শত অনাচার ও কদর্যতার গ্লানি উপেক্ষা করে মহানবী মুহাম্মদ (সা.) মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে এক বাণীতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘মহানবী (সা.) মানবজাতির জন্য এক উজ্জ্বল অনুসরণীয় আদর্শ। নিজ যোগ্যতা, সততা, মহানুভবতা, সহনশীলতা, কঠোর পরিশ্রম, আত্মপ্রত্যয়, অসীম সাহস, ধৈর্য্য, সৃষ্টিকর্তার প্রতি অগাধ বিশ্বাস, নিষ্ঠা ও অপরিসীম দুঃখ-যন্ত্রণা ভোগ করে তার ওপর অবতীর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ মহাগ্রন্থ আল কোরআনের বাণী তথা তাওহীদ প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করেন।’

‘মহানবী আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার যুগ দূর করে অত্যাচার ও জুলুম-নির্যাতন বরণ করে সত্য এবং ন্যায়কে সুপ্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে বিশ্বকে আলোয় উদ্ভাসিত করেছিলেন’ বাণীতে এ কথা উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘সমাজে অবহেলিত-নির্যাতিত, বঞ্চিত ও দুঃখী মানুষের সেবা, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, পরমতসহিষ্ণুতা, দয়া ও ক্ষমাগুণ, শিশুদের প্রতি দায়িত্ব এবং নারী জাতির মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অতুলনীয় এবং তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে অভিষিক্ত।’

তিনি বলেন, ‘আমি আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের নিকট প্রার্থনা করি- মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা, আদর্শ ও ত্যাগের মহিমা আমরা সবাই যেন নিজেদের জীবনে প্রতিফলন ঘটাতে পারি। আমরা যদি রাসুল (সা.)-এর বাণী ও আদর্শ অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে পারি তাহলে বর্তমান দুঃসময়ের ঘন অমানিশা দূরীভূত করে হারানো অধিকার ফিরে পেতে সক্ষম হব।’

সব শেষে খালেদা জিয়া বলেন, আমি পবিত্র মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম ভাই-বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

শেয়ার করুন