জাপানে রেস্তোরাঁয় মানুষের মাংস বিক্রি করা হয়!

বাংলা নিউজ ইউকে রিপোর্ট : জাপানের টোকিও শহরে খুলেছে এক অভিনব রেস্তোরাঁ। তারাই বিশ্বে সর্ব প্রথম খদ্দেরের পাতে তুলে দিচ্ছে মানুষের মাংস। এখন প্রশ্ন দাঁড়াচ্ছে, আইনে এটা কীভাবে সমর্থন করছে?

২০১৪ সাল থেকেই এই নিয়ম হামেহাল চালু জাপানে- বিশেষ কিছু শর্তাবলী সাপেক্ষে চাইলে খাওয়া যেতে পারে মানুষের মাংস। ফলে, টোকিওর এই রেস্তোরাঁর আইনসঙ্গতভাবে বাণিজ্যে কোনো অসুবিধা নেই।

মালিক তার এই রেস্তোরাঁর নাম রেখেছেন ‘রিসোতো ওতোতো নো শোকু রিওহিন’! ইংরেজিতে ‘এডিবল ব্রাদার’, অর্থাৎ ভাই ভক্ষণ! স্বাভাবিক, পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, মানুষের সম্পর্ক তো শেষ পর্যন্ত সৌভ্রাতৃত্বেরই!

টোকিওর এই রেস্তোরাঁ মানুষের মাংসের দাম ধার্য করেছে ১০০ থেকে ১০০০ ইউরো। এক টুকরো থেকে শুরু করে পুরো পদ পর্যন্ত এই দামের বিস্তার। যাতে যার যেমন ইচ্ছা, যতটা ইচ্ছা খেতে পারেন!

খোঁজ নিয়ে জানা যায় ঐ রেস্টুরেন্টটি, মৃত মানুষের লাশ কিনে নেয়। এমনকি, জাপানের অনেক মানুষই আছে যারা মৃত্যুর পূর্বে তাদের সেই দেহ ঐ রেস্টুরেন্টটিতে বিক্রয়ের জন্য পরিবারকে জানিয়ে রাখে। রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ প্রত্যেকটি লাশের জন্য ঐ মৃত ব্যক্তির পরিবারকে সর্বনিম্ন £২৭,000 পরিমাণ অর্থ প্রদান করে, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় তিরিশ লক্ষ তিন হাজার টাকা।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, এডিবল ব্রাদার নামের এই রেস্তোরাঁর প্রথম খদ্দের ছিলেন এক আর্জেটিনার পর্যটক। খেয়ে-দেয়ে খুব মন্দ কিছু কিন্তু তিনি বলেননি জাত ভাইয়ের মাংস সম্পর্কে। তবে আরও একটু বেশি শক্ত। ওরা রান্না করেছেন নানা মসলাপাতি মিশিয়ে, ফলে মুখে দিয়ে খারাপ কিছু তো মনে হল না’, অকপটে জানিয়েছেন সেই পর্যটক।

শেয়ার করুন