এন জি এফ এফ স্কুলের স্বর্ণালী পাতায় পড়বে কি কালো দাগ? : ফয়েজুল হাসান ফারহান

জ্ঞানের অালোয় অালোকিত ফেঞ্চুগঞ্জস্থ ঐতিহ্যবাহী ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী স্কুল (এন জি এফ এফ স্কুল), যেটি ১৯৬১ সালে বাংলাদেশের প্রথম ইউরিয়া সারকারখানা ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট ( বর্তমান শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যক্টরী লিমিটেড) বিসিঅাইসি ‘র অধীনে যাত্রা শুরু করে।

০১ অক্টোবর ১৯৬১ সালে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোঃ সালাউদ্দিন এবং তৎকালীন সময়ে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও দক্ষ শিক্ষকমন্ডলীর সমন্বয়ে এনজিএফএফ স্কুলের অগ্রযাত্রা বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় সম্ভাবনার এক নতুন মাত্রা যোগ করে।

ভালো ফলাফলের পাশাপাশি খেলাধুলা, সাহিত্য ও সঠিক সংস্কৃতি চর্চা, বিএনসিসি, বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন, কবিতা অাবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা সহ অন্যান্য নিয়মিত পাঠক্রম বহির্ভূত কর্মকান্ডে স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং পারদর্শিতা প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই স্কুলটিকে অাটকে রেখেছে ইতিবাচকতার এক গোলাকার বৃত্তে।প্রাথমিক শিক্ষায় শিশুর সুপ্ত প্রতিভার খোঁজ এবং তার বিকাশের ক্ষেত্রে এন জি এফ এফ স্কুলের অবদান অনস্বীকার্য, যার ফলস্বরূপ সুনাগরিকের ভিত্তি গঠনে স্থানীয় অন্যান্য স্কুলের চেয়ে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে এন জি এফ এফ স্কুল।

পাঠ্যপুস্তকের সীমাবদ্ধ জ্ঞানের বাইরেও শিশুর মানসিক বিকাশ, চারিত্রিক গঠন, মূল্যবোধ অর্জনে এনজিএফএফ স্কুল রেখেছে বিশেষ ভূমিকা। জাতীয়, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ফেঞ্চুগঞ্জের অন্যতম এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রশংসায় পঞ্চমুখরিত বৃহত্তর সিলেট ।

বিভিন্ন অান্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে টিকে থাকা ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানার এই স্কুলটির প্রাঙ্গন থেকেই বিভিন্ন সময়ে জন্ম হয় জাতীয় এবং অান্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ, সংস্কৃতি কর্মী, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সমাজকর্মী, মন্ত্রী-সচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, লেখক, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার সহ দেশবরেণ্য প্রতিভাবানদের।সুশিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক স্কেলে ভাগ না করে, মেধানুসন্ধানের ক্ষেত্রে রয়েছে স্কুলটির সোনালী ইতিহাস। এন জি এফ এফ স্কুলের অনেক শিক্ষকরাই বিভিন্ন সময়ে তাদের সততা, অাদর্শ এবং সত্যিকার মানুষ গড়ার ক্ষেত্রে অবিস্মরণীয় অবদান রাখায় জাতীয় এবং অান্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি লাভ সহ প্রশংসিত হোন। পাশাপাশি স্কুলটির প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের সফলতার বিস্তারও বিশ্বব্যাপী। সবমিলিয়ে এন জি এফ এফ স্কুলের অতীত ঐতিহ্য নিঃসন্দেহে এক স্বর্ণালী সভ্যতার ধারক এবং বাহক, যা জাতির মেরুদন্ডকে শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

কিন্তু উন্নত শিক্ষা পদ্ধতি, সুশৃঙ্খল পরিবেশ, নিয়মানুবর্তিতা, শিল্প সংস্কৃতি, ক্রীড়াঙ্গন , বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা সহ অন্যান্য সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যাবলীর ভিত্তিতে এন জি এফ এফ স্কুল স্বীয় মেধা ও প্রতিভার স্বাক্ষর সংবলিত এক স্বতন্ত্র মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়ে সিলেট বিভাগ তথা দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে স্থান করে নিলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ এন জি এফ এফ স্কুল।

সম্প্রতি বিভিন্ন যোগাযোগ মিডিয়ায় এন জি এফ স্কুল নানা দিক দিয়ে সমালোচিত হলেও এর তেমন কোনো ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট কিছু শিক্ষক সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও, যদিও তার সত্যতা নিশ্চিতকরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেই তেমন কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ। স্কুলের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত তাদের নির্ধারিত বেতন পরিশোধ করা সত্ত্বেও স্কুলের রয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, স্কুলের একটি মাত্র ব্যবহার অনুপযোগী টিউবওয়েল এবং টয়লেট সহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন সময়ে স্কুল প্রশাসনের নিকট অাবেদন করলেও তাদের অাবেদন গৃহীত হয়নি। অথচ তাদের কাছ থেকে পানি-বিদ্যুৎ সহ অন্যান্য বিল নিয়মিতই রাখা হয়। ব্যবহারিক ল্যাবে অপর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রী, শ্রেণিকক্ষের দূর্বল অবকাঠামো সহ শিক্ষার্থীদের চাহিদা মোতাবেক নতুন কিছু শিক্ষকদের যোগ্যতার ব্যপারেও প্রশ্ন রয়েছে।বর্তমানে চলমান স্কুলটির সবচেয়ে বড় সমস্যা কোচিং সমস্যা। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের জোরালো অভিযোগ, স্কুলের কতিপয় শিক্ষকরা স্কুলে পড়ান কম, বাসায় বেশী। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের বাসায় যারা পড়তে যায়, সেসব শিক্ষার্থীরা বাড়তি সুবিধা ভোগ করে। এমনকি স্কুলের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ব্যাপারেও টাকা দিয়ে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। একই প্রভাব স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের ক্ষেত্রেও…!

সম্প্রতি মাধ্যমিক পাশকৃত কিছু শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অাকার-ইঙ্গিত কিংবা অনেক ক্ষেত্রে সরাসরিও কিছু শিক্ষকদের বাসায় প্রাইভেট পড়ার এবং অতিরিক্ত অর্থ অাদায়ের কথা বলা হয়েছে। অনেক সময় ব্যবহারিক খাতা স্বাক্ষর করানোর ক্ষেত্রেও তাদেরকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। স্কুলের বাইরে অবস্থানরত অভিভাবকদের ভাষ্যমতে, কতিপয় ক্ষেত্রে পরীক্ষার অাগে শিক্ষকের বাসায় শিক্ষার্থীরা বিশেষ সাজেশন্স পায় এবং শিক্ষার্থীদের বলা হয় তারা যেন প্রাপ্ত সাজেশন অন্যদের না দেয়।ফলস্বরূপ, শিক্ষার্থীরা প্রাপ্ত সাজেশন্স বিনিময় করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং মার্কসনির্ভর এই শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ও তার মূল্যায়নের কোনো সুযোগ থাকে না। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন তথ্যগুলো পুরোপুরি মিথ্যা নয়। তবে তিনি সেসব শিক্ষকদের নাম প্রকাশে অনীহা জ্ঞাপন করেন…। কিন্তু এক্ষেত্রে স্কুল প্রশাসনের সুনজর এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সমস্যাটি নিরসন হতে পারে বলে অাশা ব্যক্ত করেন।

কয়েকটি ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অভিযোগ, স্বাধীনভাবে দায়িত্বপালনকালে অনেক সময় তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। এমনকি বিভিন্ন সময়ে ফোনে হুমকি পাওয়ার মতোও ঘটনা ঘটেছে। যদিও বিশিষ্ট কয়েকজন শিক্ষক স্কুল প্রশাসনের ওপরে রাজনৈতিক কোনো প্রভাব নেই বলে দাবি করেন।

বহিরাগত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, স্কুলে শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে বহিরাগত শিক্ষার্থীরা এবং স্কুলের প্রশংসনীয় ফলাফলে বহিরাগত শিক্ষার্থীদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। কিন্তু বহিরাগত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক হওয়ার কারণে তাদের অভিযোগ শোনা হয় না। এমনকি অনেক সময় তাদেরকে খারাপ অাচরণের সম্মুখীন হতে হয়, যা তীব্রভাবে নিন্দনীয় এবং ওনাদের বাচ্চারা সেসব শিক্ষকদের কাছ থেকে কি প্রত্যাশা করতে পারে, যাদের নিজেদের অাচরণেরই ঠিক নেই…?

পূর্ববর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কুরুচিপূর্ণ অাচরণের ব্যাপারেও অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। স্কুলের ছাত্রদের টয়লেটের অবস্থা পুরোপুরিভাবেই ব্যবহারের অনুপযোগী। দুর্গন্ধের পাশাপাশি সেখানে রয়েছে ছেঁড়া বই খাতা, বিশেষ করে বিড়ি সিগারেটের প্যাকেট সহ অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত দ্রব্যাদি। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা যায়, কিছু স্কুল ছাত্রদের সাথে প্রাক্তন ছাত্র এবং বহিরাগত ছেলেরা স্কুল সীমার ভিতরে প্রবেশ করে এই ঘটনাগুলো ঘটায়। তবে তাদের প্রশ্ন, স্কুল গেটে দারোয়ান থাকা সত্ত্বেও অসময়ে বহিরাগতরা কিভাবে স্কুলে প্রবেশ করে?স্কুল গেটের বাহিরে অভিভাবকদের কক্ষেরও নেই প্রয়োজনীয় সুব্যবস্থা। ভাঙা ছাদ, ময়লা-অাবর্জনা, নোংরা টয়লেট ইত্যাদির মধ্যেই বসে থাকতে হয় অভিভাবকদের। তাদের প্রশ্ন- তারা কি প্রতিষ্ঠানে বাচ্চাদের বিনা টাকায় পড়ান? তাছাড়া পূর্ববর্তী কয়েকটি বছরে যেসব এসএসসি পরীক্ষার্থীরা মডেল টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি, তাদের কাছ থেকে একটা অালাদা ফি জমা রাখা হয়। পুনরায় পরীক্ষা দিয়ে যারা উত্তীর্ণ হয় তারা প্রদানকৃত ফি ফেরত পায়, কিন্তু যারা পুনরায় অনুত্তীর্ণ হয় তাদের জমাকৃত ফি কোথায় যায় বা ঐ ফি টি কেন জমা রাখা হয়, সে বিষয়েও অভিভাবকদের প্রশ্ন রয়েছে। যদিও চলমান বছরে নতুন প্রধান শিক্ষক মোস্তাক অাহমদ উপস্থিতিতে এই বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়নি এবং তিনি ইতিমধ্যেই স্কুলের সার্বিক উন্নয়নে নতুন কিছু পদক্ষেপ হাতে নিলেও, তা কার্যকর থাকবে কিনা সে বিষয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন ।

বিগত কয়েক বছরের মাধ্যমিক সহ অন্যান্য পরীক্ষার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, পার্শ্ববর্তী অন্যান্য স্কুল অপেক্ষা এন জি এফ এফ স্কুলের ফলাফল তুলনামূলকভাবে মোটামুটি ভালো হলেও অাশানুরূপ নয়। স্থানীয় বিশ্লেষক এবং মুরব্বীয়ানদের মতে, সার্বিক দিক বিবেচনা করলে এন জি এফ এফ স্কুলের বর্তমান অবস্থা তার পূর্ব ঐতিহ্যের চলমান ধারা রক্ষার প্রধান অন্তরায়। তারা মনে করেন, এন জি এফ এফ স্কুল থেকে বর্তমানে যেসব শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করে, তাদের বেশীরভাগই তাদের নিজ যোগ্যতা এবং অভিভাবকদের সচেতনতার জোরে। এক্ষেত্রে স্কুলের ভূমিকাকে ওনারা শুধুমাত্র সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তারূপে অাখ্যায়িত করেন।ঐতিহ্যবাহী এন জি এফ এফ স্কুলের অধিকাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকারা অবসর গ্রহণ করলেও এখনও এনজিএফএফ স্কুলে কিছু প্রবীণ অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী রয়েছেন, যাদের সংস্পর্শে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পক্ষে অাবার সেই ঐতিহ্যে ভরপুর সোনালী অতীতে ফিরে যাওয়া সম্ভব।অাধুনিক শিক্ষায় স্বশিক্ষিত হতে পারিবারিক সচেতনতার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক নতুনত্বের প্রয়োজন রয়েছে, তবে সেটা অবশ্যই সর্বজনস্বীকৃত হতে হবে।

শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষার মার্কস ই যদি একজন শিক্ষার্থীর মেধার পরিচায়ক হতো, তাহলে অামরা রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি কিংবা নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে মূল্যায়ন করতাম না। এমনকি তাদের থিউরি অনুসরণ করে অাজকের পিএইচডি ডিগ্রীও অাসতো না। অাজকে অামাদেরই মাত্র পাঁচ বছরের একটা ছেলে যখন অামেরিকায় বিশ্ববাসী কর্তৃক স্বীকৃতি পাচ্ছে, তখন অামাদের স্কুল থেকেই জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীর ভিত্তি এতটাই দূর্বল যে, সে জাতীয় ফলের নাম অাম, অার জাতীয় পাখির নাম ইলিশ উত্তর দেয় এবং এসবকিছুই সম্ভব হয় শিক্ষা ব্যবসার দরুণ। শিক্ষা দেশ ও জাতির উন্নয়নের জন্য, বাণিজ্যের জন্য নয়।

ঐতিহ্যবাহী এন জি এফ এফ স্কুলের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এটিই প্রতীয়মান হয় যে, জরুরী ভিত্তিতে স্কুলটির বর্তমান চলমান সমস্যাগুলো সমাধানে প্রশাসন থেকে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ঐতিহ্যবাহী স্কুলটির সুন্দর অতীত ভবিষ্যতের কালো ছায়ায় হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম নয়।

অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ অনিয়ম নিরসনে অভিভাবকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং এন জি এফ এফ স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনদের এগিয়ে অাসার অাহবান জানান।

লেখক : ফয়েজুল হাসান ফারহান, কলামিস্ট। তথ্য সংগ্রহে : দেওয়ান ফাহিম, সাংবাদিক ও মোঃ মহসিন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

শেয়ার করুন