গোলাপগঞ্জে রাস্তায় হাটু পানি, ভোগান্তিতে শত শত মানুষ

গোলাপগঞ্জ :

গোলাপগঞ্জের পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের রনকেলী নুরুপাড়া রাস্তাটি ভেঙ্গে পুকুরসম গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। রঙ্গাইবিশ্রা, দিঘীরপার এবং ধারাবহর এলাকার শত শত লোকজনএই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। বেশ কয়েক বছর ধরে সামান্য বৃষ্টি হলেই এ রাস্তায় হাটু পানি জমে যায়। এতে করে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই ওয়ার্ডের চারটি গ্রামের এলাকাবাসীকে। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হচ্ছে স্কুল কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলের ব্যাগ মাথায় রেখে হাটু পানি দিয়ে ভিজে রাস্তা পার হয়ে স্কুলে যাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে মেয়ে শিক্ষার্থীদের।
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন অভিভাবকরা। এসময় এলাকার রনি আহমদ, সায়েল আহমদ, বাবরুল ইসলাম সহ কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি কষ্টের সম্মুখীন হতে হয় কোন রোগী নিয়ে এ রাস্তায় যাতায়াত করতে। রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় অনেক বছর ধরে এই রাস্তায় যান চলাচল করতে পারেনা।

এই এলাকার ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ আহমদ বলেন, রাস্তায় হাটু পানি জমে থাকার কারণে আমাদের স্কুলে যেতে অনেক সমস্যা হয়। শুধু তাই নয় অনেক সময় পানিতে পড়ে বই-পুস্তক নষ্ট হয়ে যায়।

 

রণকেলী নুরুপাড়া গ্রামের আব্দুন নুর নামে এক বৃদ্ধ জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই নুরুপাড়ার এ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ছোট ছোট কোমলমতী শিক্ষার্থীরা হাটু সমান পানি পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেতে হয়। অভিভাবকরা তাদের নিয়ে অনেক শঙ্কায় থাকেন। তিনি আরো বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে প্রতি বর্ষাতেই বেশি জলাবদ্ধতায় নাকাল হতে হয় এলাকাবাসীকে। এলাকাবা

সৈয়দ তানভীর হোসেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নার্গিস বেগম বলেন, রাস্তাটিতে পানি জমে যাওয়ায় দিন দিন স্কুলের উপস্থিতি সংখ্যা কমছে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে এ রাস্তাটি মেরামত ও ড্রেন নির্মাণ করা দরকার।

এ বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর নাজিম উদ্দিন বলেন, ইতিমধ্যে এই রাস্তাটির টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফলতির কারণে রাস্তার কাজ এখনো আটকে আছে।

শেয়ার করুন