ঈদের আগের ৩ দিনে ১৮০০০০ হাজার টিকিট বিক্রি হবে

যাত্রীচাপ সামলাতে এবং বাড়তি যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্যে ঈদের আগের তিন দিনের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৬০ হাজার করে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। যা হতে যাচ্ছে বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার সীতাংশু চক্রবর্তী শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমানে প্রতিদিন ২৩ হাজার ৫১৪টি করে টিকিট সরবরাহ করা হচ্ছে। এ টিকিটের ২৫ শতাংশ অনলাইনে সরবরাহ ছাড়াও ৫ শতাংশ রেলের কর্মচারী ও ৫ শতাংশ ভিআইপিদের জন্য বরাদ্দ। বর্তমানে যে পরিমাণ টিকিট প্রতিদিন দেওয়া হচ্ছে, এ সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বাড়বে। ১৩ থেকে ১৫ জুনের জন্য ৪ থেকে ৬ জুন টিকিট বিক্রি করা হবে। ওই সময়ে মেইল, এক্সপ্রেস ও লোকাল মিলে প্রতিদিন ৬০ হাজার (তিনদিনে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার) টিকিট দেওয়া হবে।

এবার ৩০ রোজা পূর্ণ হলে আগামী ১৭ জুন বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন হওয়ার কথা। সে হিসেবে ঈদে বাড়ি গমনেচ্ছু যাত্রীদের ১ জুন দেওয়া হয় ১০ জুনের টিকিট। ২ জুন ১১ জুনের, ৩ জুন ১২ জুনের, ৪ জুন ১৩ জুনের, ৫ জুন ১৪ জুনের এবং ৬ জুন দেওয়া হবে ১৫ জুনের ট্রেনের টিকিট।

তিনি আরো বলেন, ঈদে যাত্রী টানতে গতবারের চেয়ে এবার দুই জোড়া বাড়িয়ে নয় জোড়া স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে সম্পূর্ণ এসি একটি ট্রেন খুলনা রুটে চলবে। এছাড়া লালমনিরহাটগামী নতুন একটি স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়েছে। ঈদের আগে ও পরের সাত দিন চলবে স্পেশাল ট্রেন।

গতবারের ট্রেনগুলোর মধ্যে ঢাকা-পার্বতীপুর-ঢাকা, ঢাকা-রাজশাহী-ঢাকা, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা, ঢাকা-খালনা-ঢাকা, ঢাকা-লালমনিরহাট-ঢাকা রুটে স্পেশাল ট্রেন এবারও চলবে ঈদে।

এছাড়া শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতের অংশগ্রহণের জন্য ভৈরব-কিশোরগঞ্জ রুট ও ময়মনসিংহ-কিরোশরগঞ্জ রুটে দুই জোড়া ট্রেন চলবে। এছাড়াও চট্টগ্রাম-চাঁদপুরে চলবে আরো দুই জোড়া ট্রেন।

এসি টিকিট না পাওয়ার কোনো অভিযোগ নেই বলে দাবি করেন স্টেশন মাস্টার। কাউন্টারে পর্যাপ্ত টিকিট আছে। আশা করি ভালোভাবে মানুষ বাড়ি যেতে পারবে।

ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে গমনেচ্ছু যাত্রীদের ১০ জুন দেওয়া হবে ১৯ জুনের টিকিট, ১১ জুন দেওয়া হবে ২০ জুনের, ১২ জুন দেওয়া হবে ২১ জুনের, ১৩ জুন দেওয়া হবে ২২ জুনের, ১৪ জুন দেওয়া হবে ২৩ জুনের এবং ১৫ জুন দেওয়া হবে ২৪ জুনের অগ্রিম ফিরতি টিকিট।

শেয়ার করুন